আগামী বছরগুলোয় ভারতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) চাহিদা উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বাড়তে পারে। সার, শহরভিত্তিক গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা, সিটি গ্যাস, রিফাইনারি ও বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে ব্যবহার বৃদ্ধিই এ প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির শীর্ষ এলএনজি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের নির্বাহীরা। তবে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম স্থানীয় ভোক্তাদের জন্য সহনীয় পর্যায়ে না এলে নতুন চাহিদা তৈরি করা কঠিন হবে বলে উল্লেখ করেছেন তারা। খবর রয়টার্স।
বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম এলএনজি আমদানিকারক ভারত ২০৩০ সালের মধ্যে জ্বালানি মিশ্রণে (এনার্জি মিক্স) প্রাকৃতিক গ্যাসের অংশ বর্তমান ৬ দশমিক ২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশে নিতে চায়। এ কারণে বৈশ্বিক এলএনজি খাতে চাহিদা প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে ভারতকে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে দেশটি অত্যন্ত মূল্য-সংবেদনশীল ক্রেতা হিসেবেই পরিচিত।
ভারতের শীর্ষ প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান পেট্রোনেট এলএনজি জানিয়েছে, ২০২৬ সালে ভারতের এলএনজি আমদানি বেড়ে ২ কোটি ৮০ লাখ থেকে ২ কোটি ৯০ লাখ টনে পৌঁছতে পারে। গত বছর দেশটির মোট আমদানির পরিমাণ প্রাক্কলন করা হয়েছে ২ কোটি ৫৫ লাখ টন।
পেট্রোনেট এলএনজির ব্যবস্থাপনা পরিচালক অক্ষয় কুমার সিং বলেন, ‘চলতি বছর প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদা বাড়বে। কারণ গত বছরের গ্রীষ্মকাল তুলনামূলক শীতল ছিল।’
তিনি আরো জানান, শহর ও গৃহস্থালি পর্যায়ে প্রাকৃতিক গ্যাসের পাইপলাইন নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের পাশাপাশি শোধনাগার, সার ও বিদ্যুৎ খাতে ব্যবহার বাড়ার ফলে জ্বালানি পণ্যটির সামগ্রিক চাহিদা জোরদার হবে।